সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ সিরাজগঞ্জের সব খবর, সবার আগেঃ SirajganjKantho.com

www.SirajganjKantho.com

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ এর সিরাজগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নাসিমা খাতুন রূপার সফলতার গল্প
নিউজরুম ০৬-১০-২০১৯ ০২:৩৩ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ প্রিন্ট সময়কাল Nov 23, 2019 04:14 AM

রায়হান আলীঃ জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ সিরাজগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উল্লাপাড়া এইচ,টি,ইমাম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মোছাঃ নাসিমা খাতুন রূপা। এরআগে নাসিমা খাতুন রূপা উল্লাপাড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের বাছাই পর্বে অংশ গ্রহণ করেন। এই বাছাই পর্বে নাসিমা খাতুন রূপা নির্বাচিত হয়ে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে মনোনীত করেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। 

সিরাজগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে ২০১৯ এর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করেছেন । 

নাসিমা খাতুন রূপা শিক্ষকতার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে অসহায় দরিদ্র শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খরচ বহন করেন। তিনি জানান আমাদের সমাজে অনেক মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থী রয়েছে তারা অর্থের অভাবে লেখাপড়া করার সুযোগ পায় না। আমরা যদি আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাদের একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই তাহলে আমাদের সমাজ হবে সুশিক্ষিত পাশাপাশি অর্থের অভাবে কারর লেখাপড়া বন্ধ হবে না। 

নাসিমা খাতুন রূপা বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বাউগান গ্রামে এক সম্ভান্ত্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন বেলকুচি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এবং বি,আই,ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। 

বাবা মায়ের দ্বিতীয় সন্তান তিনি, এছাড়াও তার ৩ বোন এবং এক ভাই আছে। তার বাকি ৩ টা বোন শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। ছোট ভাই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছেন। শৈশব কাল সম্পর্কে  তার কাছে জানতে চাইলে তিনি শৈশব থেকেই গৃহকর্তা দাদা,বাবা,চাচাদের কড়া শাসনে হিসাব আর অ.জ পাড়া গাঁয়ের নানা কুসংস্কার এবং প্রচলিত সমাজের প্রতিকূলতা মধ্যেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি বলেন উঃ সে কি বকুনি আর মনে পড়ে মায়ের লাঠিপেটা পড়তে বসলে দাদির বাতি নিভে দেওয়া সবমিলিয়ে বারংবার অশান্ত মন কে শান্তনা দিতাম,মনে মনে বলতাম অশান্ত পরিশ্রান্ত জীবনের হয়তো একদিন সমাপ্তি ঘটবে। এভাবে কেটে গেলো বাল্য শৈশব ও কৈশোর কাল। 

১৯৯৫ সালে ডিগ্রি পাশ করার পর পারিবারিকভাবে  উল্লাপাড়ার রামকান্তপুর গ্রামে মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তার স্বামী পেশায় একজন ব্যবসায়ী। এরপর ১৯৯৮ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে তৎকালীন হামিদা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ বর্তমান এইচ টি ইমাম বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের নিয়োগ পায়।  সংসার জীবন শিক্ষকতা  ও লেখাপড়া সবগুলো একসাথে চালিয়ে যান। তিনি কখনো থেমে থাকেনি। এরপর সে ২০০৩ সালে বিএড এবং ২০০৮ এমএড ডিগ্রি অর্জন করেন। 

কর্মজীবনে এইচ টি ইমাম বালিকা বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন দায়িত্বশীলতার সাথে শিক্ষকতা এই মহান পেশায় কর্মরত রয়েছেন। 



০৬-১০-২০১৯ ০২:৩৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত
http://sirajganjkantho.com/cnews/newsdetails/20191006143305.html
© সিরাজগঞ্জ কন্ঠ, ২০১৬     ||     A Flashraj IT Initiative