সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ সিরাজগঞ্জের সব খবর, সবার আগেঃ SirajganjKantho.com

www.SirajganjKantho.com

তাড়াশে ধান ব্যবসায়ীদের ওজন নিয়ে কারসাজি!! ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষক
নিউজরুম ১৪-০৫-২০১৯ ১২:৩৮ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ প্রিন্ট সময়কাল Jan 19, 2020 07:20 AM

এম এ মাজিদ: দেশের প্রচলিত নিয়মে ৪০ কেজিতে এক মণ। কিন্তু সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে তাড়াশ উপজেলার ধান ব্যবসায়ীরা চাষীদের জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে প্রতি  মণে ১ থেকে ২ কেজি ধান বেশি নিচ্ছে। চাষীদেও অভিযোগ ওই এলাকার সকল ধান ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ নিয়ম চালু করছে। এতে অসহায় চাষীরা হতাশ হয়ে এর প্রতিকারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
গত কয়েকদিন তাড়াশের বিনসাড়া, বারুহাস, গুল্টাসহ বিভিন্ন হাট ঘুরে ও ভুক্তভোগী চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগে প্রতি মণে ৪০ কেজি ধান হিসাব করলেও ব্যবসায়ীরা এবছর প্রতি মণে ১ কেজি করে বেশি অর্থ্যাৎ ৪১ কেজি করে ধাণ নিচ্ছেন। কোন চাষী বাড়তি ১ কেজি না দিলে তার ধান  ব্যবসায়ী কিনছেন না। তাই টাকার প্রয়োজনে বাধ্য হয়ে মণে ১ কেজি ধানের ধাম বাদ দিয়ে টাকা নিতে হচ্ছে তাদের।
চাষীরা আরো বলেন এমনিতেই এবছর ধানের দাম বিগত কয়েক বছরের তুলনায় মণে ১’শ থেকে ২’শ টাকা কম। এরপর আবার তাদের মণে ১ কেজি ধানের দাম কম নিতে হচ্ছে। গত বছরে এসময়ে মিনিকেট জাতের ধান চলনবিলের হাটগুলোতে ৮’শ ৫০ থেকে ৯’শ ৫০ টাকা মণ দরে বিক্রি হত। সেখানে এবছর বিক্রি হচ্ছে ৬’শ ৫০ থেকে ৭’শ ৫০ টাকা মণ দরে। বিনসাড়া গ্রামের চাষী মো. ইব্রাহীম হোসেন বলেন, তিনি ৩৫ মণ ধান বিক্রি করতে বিনসাড়া হাটে এসেছেন। বাড়ি থেকে ওজন দিয়ে ধান হাটে তুলেছেন। প্রয়োজনের তাগিদে কম দামে ধান বিক্রি করতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু ধানের ক্রেতা (ব্যবসায়ী) ৩৫ মণ ধানে ২০ কেজি ধানের দাম কম দিচ্ছেন। কারণ প্রতি মণে ১ কেজি করে বেশি দিতে হচ্ছে। এতে তিনি প্রায় ৪’শ টাকা কম পাচ্ছেন।
চাষী ইব্রাহীমের মত হাটে ধান বিক্রি করতে আসা অন্য  চাষদের অভিযোগ তাদের প্রত্যেকের ধানে মণে ১ কেজি দাম কম দেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে ঝগড়া হচ্ছে প্রতি হাট বারে। কিন্ত হাটের সব ব্যবসায়ী একজোট হওয়ায় তাদের ওই অন্যায় আবদার মেনে নিতে বাধ্যে হচ্ছে চাষীদের। এব্যাপারে তাড়াশ উপজেলার গুল্টা হাটের ব্যবসায়ী মো. বুলবুল আহম্মেদ মণে ১ থেকে দেড় কেজি ধান বেশি নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, চাষীদের সম্মতিতেই বেশি নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফ্ফাত জাহান বলেন, বিষয়টি সংবাদ কর্মীদের মাধ্যমে জানতে পারলাম তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



১৪-০৫-২০১৯ ১২:৩৮ অপরাহ্ন প্রকাশিত
http://sirajganjkantho.com/cnews/newsdetails/20190514123851.html
© সিরাজগঞ্জ কন্ঠ, ২০১৬     ||     A Flashraj IT Initiative