সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ সিরাজগঞ্জের সব খবর, সবার আগেঃ SirajganjKantho.com

www.SirajganjKantho.com

উল্লাপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ডিজিটাল (বায়ােমেট্টিক) হাজিরা
নিউজরুম ২৮-০২-২০১৯ ০৫:০২ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ প্রিন্ট সময়কাল Oct 21, 2019 05:34 AM

উল্লাপাড়া প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলােয় এখন ডিজিটাল (বায়োমেট্টিক) মেশিনে শিক্ষকদের হাজিরা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। বিদ্যালয় শিক্ষকদের বায়ােমেট্টিক মেশিনে আঙ্গুলের ছাপে উপস্থিতি  ও প্রস্থানকালের সময় লিপিবদ্ধ থাকছে। এদিকে বিদ্যুৎ সংযােগ না থাকায় ২৪টি বিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালু করা যায়নি। একটি বিদ্যালয়ের মেশিন অকেজাে হয়ে আছে। গােটা দেশের মধ্যে উল্লাপাড়ায় প্রথম এ পদ্ধতি চালু হয়েছে বলে জানা যায়।


 উল্লাপাড়া উপজেলায় মােট ২শ ৭৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানা যায়। স্লিপ ফান্ডের অর্থে এ মেশিন ক্রয় ও সরবরাহ করা হয়েছে। গত বছরের শেষ ভাগ থেকে বিদ্যালয়গুলােয় এ হাজিরা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এর পাশাপাশি হাজিরা খাতায় উপস্থিতি স্বাক্ষর ব্যবস্থা  বহাল আছে। এদিকে উল্লাপাড়ায় ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযােগ নেই। বিদ্যুৎ সংযােগ না থাকায় এ সংখ্যক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন চালু করা যায়নি বলে জানা যায়। তবে দু’একটি বিদ্যালয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় চালু করা হলেও তা নিয়মিত নয়। নাগরৌহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনও বিদ্যুৎ সংযােগ মেলেনি। বিদ্যুৎ না থাকায় মেশিনটি বাক্সবন্দী  অবস্থায় আছে। এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মােঃ  আনােয়ারুল ইসলাম ফিলিপস জানান, আগামী মাস খানেক সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযাগ মিলবে এমন আশা করছেন। বিদ্যুৎ সংযােগ পেলেই মেশিনটি চালুর মাধ্যমে এ পদ্ধতি কার্যকর করা হবে। শাহজাহানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মােছাঃ আরিফা খাতুন জানান, গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তার বিদ্যালয়ের মেশিনটি অকেজাে হয়ে আছে। এ বিষয় কর্তৃপক্ষকে তিনি জানিয়েছেন।
 উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এজি মাহমুদ ইজদানী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালুতে শিক্ষকদের সময়মত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও প্রস্থান ঘটছে। সহকারী শিক্ষা অফিসারগণ ডিজিটাল মেশিনে হাজিরার বিষয়টি মনিটরিং করছেন। 

 উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আরিফুজ্জামান জানান, উপজেলা পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত  ও শিক্ষা কমিটির অনুমােদনক্রমে যুগপোযাগী এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এ পদ্ধতি চালুতে সুফল হিসেবে উপজেলা সদরের বাইরে প্রত্যান্তঞ্চলের বিদ্যালয়গুলােতেও শিক্ষকদের সময়মত উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়মিত মনিটরিং   করা হয়ে থাকে। তিনি আরাে বলেন, শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে  বর্তমান সরকারের ডিজিটাল ব্যাংলাদেশ গড়তে এ  পদ্ধতি সহায়ক ভুমিকা হবে।



২৮-০২-২০১৯ ০৫:০২ অপরাহ্ন প্রকাশিত
http://sirajganjkantho.com/cnews/newsdetails/20190228170210.html
© সিরাজগঞ্জ কন্ঠ, ২০১৬     ||     A Flashraj IT Initiative