কামারখন্দে গুচ্ছগ্রাম ও দূর্যোগ সহনীয় প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
০৭ এপ্রিল, ২০২০ ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন


  

  • কামারখন্দ/ অপরাধ:

    কামারখন্দে গুচ্ছগ্রাম ও দূর্যোগ সহনীয় প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
    ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০২:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    খাইরুল ইসলামঃ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় গুচ্ছগ্রাম আর দুর্যোগ সহনীয় ঘর তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে। প্রকল্পের সভাপতিরা জানেন না কিভাবে কাজ হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে গ্রচ্ছগ্রামে যে সকল ভ‚মিহীন পরিবার উঠেছে তাদের নিজ অর্থায়নে করা হচ্ছে মাটি ভরাট সহ অন্যান্য কাজ, এছাড়াও বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই ধসে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে নির্মান করা ঘর গুলো। জানা যায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় ১৯টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর ও দুটি গুচ্ছগ্রামের প্রকল্প অনুমোদন দেয় কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পগুলোতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে কাজের তদারকি করা হবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পের বরাদ্দের টাকার চেক স্বাক্ষর করে উপজেলায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব নিজ নিজ প্রকল্পের সভাপতির। সভাপতি হয়েও কাজ করার সুযোগ না থাকায় নতুন কোনো প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে আর রাজি নয় জনপ্রতিনিধিরা। তাই মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নতুন প্রকল্পের ২৯টি ঘরের কাজ এখনো শুরু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশেই প্রকল্পের বরাদ্দের চেক স্বাক্ষর করে জনপ্রতিনিধিরা জমা দিয়েছেন। পরে নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ মতো তা খরচ করা হয়েছে। এ দিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সহকারী নাসির শেখ জানান, প্রায় ৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ইউএনও কাছে আটকা আছে যার কারণে ইটের দাম, মিস্ত্রী, রংমিস্ত্রি সহ বিভিন্ন কিছুর দাম এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি। পণ্য সরবরাহকারী জানায়, ছয় মাস ধরে বকেয়া টাকা পরিশোধ করেনি। গত ৬ ফেব্রæয়ারি চৌবাড়ি গুচ্ছগ্রাম-২ প্রকল্পের উদ্বোধন ও চাবি হস্তান্তর করলেও তা এখনো বসবাসের উপযোগী নয় বলে জানান স্থানীয়রা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘরগুলো বালুর ওপর কোনোমতে দাঁড় করিয়ে রাখা। ঘরের ভেতর খাট বা অন্য কোনো আসবাব রাখার মতো অবস্থা নেই। ঘরগুলো সম্পূর্ন তৈরি না করেই হস্তাস্তর করা হয়েছে। চৌবাড়ি গুচ্ছগ্রাম-২ প্রকল্পের সভাপতি ও রায় দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান জানান, এই গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের নামমাত্র সভাপতি। কাজের বিষয়ে তাঁর কোনো মতামত নেওয়া হয়নি।তবে বরাদ্দ টাকার চেক স্বাক্ষর করে উপজেলায় জমা দিয়েছেন। কামারখন্দ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দীকা জানান, এই প্রকল্পের যাচাই বাছাইয়ের কাজ এসিল্যান্ডকে দায়িত্ব দিয়েছেন ইউএনও। আমি চাকরিতে জয়েন্ট করার পর ইউএনও স্যারকে বলি কাজটি কিভাবে শেষ করবো, তখন ইউএনও স্যার বলে এ কাজ নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না পরে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানাবো। কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, বারবার প্রকল্প কর্মকর্তাকে তালিকা দেওয়ার কথা বলেছি কিন্তু সে দেয়নি এছাড়া সে নিয়মিত অফিস করে না।
    মোঃ খায়রুল ইসলাম ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০২:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 275 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    কামারখন্দ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    13294580
    ০৭ এপ্রিল, ২০২০ ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন