তাড়াশে দখলবাজদের কবলে করতোয়া নদী
১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন


  

  • তাড়াশ/ অন্যান্য:

    তাড়াশে দখলবাজদের কবলে করতোয়া নদী
    ০৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:২৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    এম এ মাজিদ :  সিরাজগঞ্জের তাড়াশে দখলবাজদের কবলে ঐতিহ্যবাহী করতোয়া নদী। ফলে দখল আর দূষণে মরে যাওয়া করতোয়া নদী আর গতি ফিরে পাচ্ছে না। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডে একধিকবার অভিযোগে শতাধিক দখলদারের তালিকা করা হলেও সেই উচ্ছেদ অভিযান হয়নি একবারও। এদিকে নদীর পাড় দখলদারদের উচ্ছেদ না করায় দিন দিন বেড়েই দীর্ঘ হচ্ছে দখলদারের সংখ্যা। 

    জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার চলনবিল অধ্যুশিত তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের বুক চিরে করতোয়া নদী প্রবাহিত হয়ে  জেলার উল্লাপাড়ার উপজেলার ফুলজোর নদীতে গিয়ে মিলেছে। নদীটিতে একদিকে পানি শুন্যতায় প্রবাহ বন্ধ, অন্যদিকে ভরাট আর দখল এর ফলে নদীটি এখন মৃত। নদীটি সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার সিমান্তবর্তী ৪টি উপজেলার মধ্যে বড় নওগাঁ হাটের দক্ষিণ পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। একসময  বর্ষা মৌসুমে বড় বড় বর্জা নৌকা নিয়ে দুর-দুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা হাটে আসতেন। বর্তমানে দখলদারদের কবলে পরে নৌকা ঘাট নাথাকায় ব্যবসায়ীরা হাটে অঅসা বন্ধ করে দিয়েছেন। যার ফলে সরকারের বছরে কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের হাটটি আজ অর্থনীতে হুমকিতে পরেছে।  সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটের দক্ষিন পাশ্বে যে যেখানে পেরেছে নদী দখল ও পাকা ভবন নির্মাণ করেছে ইচ্ছেমত। দখল করা নদীর পাশে নির্মাণ করা হয়েছে শত শত বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিশাল বিশাল পাকা ভবন। সুযোগমত প্রভাবশালীরা নামে বেনামে নদীর তীর দখল করে নিচ্ছে। নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে ভবন। ভবনগুলোর ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়েছে নদীর বুকে। এতেকরে ওই এলাকার পরিবেশ দুষিত হয়ে ছড়ে পড়ছে রোগ জীবানু।  
     
    নওগাঁ গ্রামের খন্দকার তারা মিয়া, মো: নিরু হোসেন, বাবর আলী বাবু, রফিকুল ইসলাম, কুদ্দুস আলীসহ অনেকেই বলেন, করতোয়া নদীটি আগে অনেক বড় ছিল। কিন্তু অবৈধভাবে বড় বড় বিলিন্ডং করার ফলে নওগাঁ হাটে এখন আর নৌকা ঘাটে পৌঁছাতে পারে না। আমারা এইসব দখলকারিদের উচ্ছেদ করে নদীটির প্রবাহ ঠিক রাখার দাবি জানাচ্ছি। তবে দখল করে নয় পৈতৃকি সম্পত্তি, কেনা এবং নিজের জায়গায় ঘর নির্মাণ করছেন বলে জানান, স্বপ্ন কুমার ডাকু, বেনু সরকার, উৎপল সরকার, জিল্লুর রহমান শিমুল, ওহাব আলী, আলহাজ সোরাফ, ইউনুস আলী ও মানিক মিয়া। 
     
    এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, আমি প্রতিনিধি পাঠিয়েছি সরেজমিনে দেখে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে নদীটি দখলমুক্ত করতে অবৈধ দখলদাদের উচ্ছেদের প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

    সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ০৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:২৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 97 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    তাড়াশ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11659662
    ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন