কামারখন্দে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ
১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন


  

  • কামারখন্দ/ অপরাধ:

    কামারখন্দে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ
    ০৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:০৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    খাইরুল ইসলামঃ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে উপজেলা পর্যায়ে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী ভর্তিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি সুত্রে জানা যায়, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “উপজেলা পর্যায়ে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রশিক্ষণ”  প্রকল্পের আওতায় কামারখন্দ উপজেলায় ৭ম ব্যাচে ১শ’ ৪৭ জন নারী আবেদন করেন। এর মধ্যে ৫৮ জন ব্লকবাটিক ও ৮৯ জন ট্রেইলারিং ট্রেডে আবেদন করেন। আবেদন করতে কোন ফি না লাগলেও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক কাম ক্রেডিট সুপারভাইজার শহিদুল ইসলাম আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে আবেদন ফি নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ব্লকবাটিক ও ট্রেইলারিং ট্রেডে ২৫ জন করে ৫০ জন নারী বাছাই করা হয়েছে। 
     
    প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী প্রতিদিন ১শ’ টাকা করে ৬০ দিনে ৬ হাজার টাকা হাজিরা ভাতা প্রাপ্ত হবেন এই প্রকল্পে। আবেদনের প্রেক্ষিতে গত রবিবার উপজেলা প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন/বাছাই কমিটি কোন নিয়ম নীতি না মেনে তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচন করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্বামী পরিত্যক্তা, তালাকপ্রাপ্ত, গরীব, অসহায়, অস্বচ্ছল নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণে ভর্তির বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হয়নি। মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী ভর্তিতে সঠিক নিয়ম কানুনও জানেন না উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীম জাহিদ তালুকদার। উপজেলার নান্দিনামধু গ্রামের গিয়াস উদ্দীনের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী কৃষি শ্রমিক।
     
     
    দিন আনে দিন খাই। সেলাই মেশিনের প্রশিক্ষণ নিতে পারলে স্বামী-সন্তান নিয়ে স্বচ্ছলভাবে চলতে পারি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরো কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী জানান, আমরা আবেদন করতে গেলে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহিদুল ১শ’ টাকা করে নিয়েছে। আমরা গরিব মানুষ প্রশিক্ষণ নিতে পারলে আমরা স্বামীর আয়ের পাশাপাশি আমরাও সেলাই মেশিনের কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতে পারি। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক কাম ক্রেডিট সুপারভাইজার শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি আবেদন করতে ২০/২৫ জনের কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে নিয়েছি। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীম জাহিদ তালুকদার (অ.দা.) জানান, মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী ভর্তিতে কোন প্রকার অনিয়ম হয়নি। স্বচ্ছতার সাথে প্রকৃত যোগ্য নারীদেরই বাছাই করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন/বাছাই কমিটির সভাপতি সম্পা রহমান।
     
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রশিক্ষণার্থী ভর্তিতে কোন অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন/বাছাই কমিটির সভাপতিকে জানিয়েছি।
    মোঃ খায়রুল ইসলাম ০৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:০৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 95 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    কামারখন্দ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11659558
    ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন