বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া সড়ক মেরামতে লাখ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিনষ্ট
১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:৪৪ অপরাহ্ন


  

  • তাড়াশ/ অন্যান্য:

    বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া সড়ক মেরামতে লাখ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিনষ্ট
    ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৪:৩৫ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    এম এ মাজিদ : সড়ক মেরামতে বন বিভাগের লাখ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিনষ্ট করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।  জানা গেছে,সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা সদরের পশ্চিম ওয়াবদা বাঁধ হতে বগুড়া উপজেলার শেরপুর উপজেলার রানীরহাট পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার রাস্তা এ বছর সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) প্রশস্ত করণ, মজবুতি করণ ও মেরামতের উদ্যোগ নেয়। 

    এ লক্ষে রাস্তাটি  জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর কর্যালয় হতে দরপত্র আহবান করা হলে ৩০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে  কার্যাদেশ পায় মেসার্স ময়েন উদ্দিন (বাঁশি) লিমিটেড।

    সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কার্যাদেশ পাওয়ার পর গত ২৫ মে রাস্তাটি উদ্বোধনের পর  আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। দরপত্র অনুযায়ী রাস্তাটির উভয় পাশে তিন ফুট করে মোট ছয় ফুট প্রশস্ত করণের কথা থাকায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্্রাভেটর (খনন যন্ত্র) দিয়ে কাজ শুরু করে। কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় জেলা পরিষদের হাজার হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। এ সময় ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বন বিভাগ ও জেলা পরিষদের কোন প্রকার অনুমতি না নিয়েই কয়েক হাজার বিভিন্ন প্রজাতির কাঠের গাছ নির্বিচারে উপড়ে ফেলে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকা।  উপড়ে ফেলা গাছ গুলো মাসের পর মাস ধরে রোদে পুড়ে, বিষ্টিতে ভিজে ও কাঁদায় পড়ে বিনষ্ট হচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলা সহকারী বন  কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল বলেন, এ ভাবে গাছ কাটার কোন নিয়ম নেই। নিয়মানুযায়ী বন বিভাগে আবেদন করার পর, বন বিভাগ মূল্য নির্ধারণ করে গাছ কাটার অনুমতি দিলেই তবে সরকারি বা বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠান গাছ কাটতে পারবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সড়ক ও জনপথ বিভাগ  বা জেলা পরিষদ বন বিভাগের কোন অনুমতি নেয়নি।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাস্তাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের হলেও, সামাজিক বনায়ন করেছে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ।
    সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, আমরা জেলা পরিষদ কে চিঠি দিয়েছি প্রকল্প এলাকার গাছ কাটার জন্য।
     এ দিকে জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইফতেখার শামীমের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,আমি রাজশাহীর পথে রয়েছি। অফিসে ফিরে জানাতে পারবো।
    এ দিকে কাটা ও উপড়ে ফেলা গাছ গুলো অরক্ষিত থাকায়, এলাকার লোকজন যে যার মতো হরিলুট করছে  এতে সরকারি সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে ।

    সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৪:৩৫ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 128 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    তাড়াশ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11690353
    ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:৪৪ অপরাহ্ন