দ্রুত বিচার সর্ম্পূন করার দাবীতে তাড়াশে রুপার পরিবারের মানবন্ধন
২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৩:৪৪ অপরাহ্ন


  

  • তাড়াশ/ আইন আদালত:

    দ্রুত বিচার সর্ম্পূন করার দাবীতে তাড়াশে রুপার পরিবারের মানবন্ধন
    ২৫ আগস্ট, ২০১৯ ০১:২০ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    আশরাফুল ইসলাম রনি:
    সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চাঞ্চল্যকর জাকিয়া সুলতানা রুপাকে গণধর্ষন ও হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের দাবীতে তার পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছেন। রুপার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে রোববার দুপুরে তাড়াশ প্রেসক্লাব চত্বরে ওই মানববন্ধন কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হয়।
    এদিকে, ওই মানববন্ধন কর্মসুচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অঝোঁের কাদঁতে থাকেন রুপার মা ও পরিবারের সদস্যরা।
    রুপার মা হাসনাহেনা (৫৮) মেয়ে হত্যার দ্রুত বিচার দাবী করে বক্তব্যে তিনি বলেন, গত দুই বছরে তিনি তার মেয়ে হত্যার বিচার না পেয়ে হতাশ।
    তিনি বলেন, একদিকে আমার পরিবারের সম্ভবনাময় মেধাবী তরুনীর অকাল মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি তাদের একমাত্র কর্মক্ষম মেয়েকে হত্যা করায় আজও এ পরিবারকে অশেষ কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।
    তাছাড়া চাঞ্চল্যকর এই হত্যার বিচারের মাধ্যমে দেশে দৃষ্টান্ত স্থাপণ হওয়া জরুরী। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন রুপার ভাই হাফিজুর রহমান, ছোটভাই উজ্জল প্রামানিক ও রুপার ভাবি মোছা: টুম্পা খাতুন।
    প্রসঙ্গত ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শেষে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আসান বাড়ী গ্রামের মৃত.জেলহক প্রাং এর মেয়ে মেধাবী তরুনী রুপাকে চলন্তবাসে গণধর্ষণ করে  নির্মমভাবে হত্যা করে পরিবহণ শ্রমিকরা। পরে চলন্ত বাসেই তাকে হত্যা করে টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে রুপার মরদেহ ফেলে রেখে যায়। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে মধুপুর থানা পুলিশ ওই রাতেই অজ্ঞাত পরিচয় নারী হিসেবে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে রুপার মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় গণ ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরের দিন পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে তার ভাই হাফিজুর রহমান মধুপুর থানায় গিয়ে ছবির ভিত্তিতে ছোট বোন  রুপার লাশ  শনাক্ত করেন। ২০১৭ সালের ২৮ আগস্ট এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ময়মনসিংহ-বগুড়া সড়কের ছোঁয়া পরিবহণের হেলপার শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীর (১৯) এবং চালক হাবিবুর (৪৫) ও সুপারভাইজার সফর আলীকে (৫৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা প্রত্যেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর নি¤œ আদালতে ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী  ৪ আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ১ জনের ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড হওয়ার পর তারা জেলে রয়েছেন। তাছাড়া ২০১৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারীর সকল আসামী খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন। এরপর গত ১৯ মাসেও চাঞ্চল্যকর রুপা গণ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আপিল শুনানি শুরুই হয়নি।

     

    স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, তাড়াশ ২৫ আগস্ট, ২০১৯ ০১:২০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 264 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    তাড়াশ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11406368
    ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৩:৪৪ অপরাহ্ন