তাড়াশের সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৭:০১ অপরাহ্ন


  

  • তাড়াশ/ অপরাধ:

    তাড়াশের সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ
    ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ০৯:২০ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত

    আশরাফুল ইসলাম রনি:
    সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্যর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে  ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
    ভুক্তভোগী ও লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন তাড়াশে থাকাকালীন বিভিন্ন রাস্তা পাকাকরন করার অযুহাতে বিভিন্ন সময় এলাকার লোকজনের কাছে থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাছাড়া উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বস্তুল থেকে লাউশন পর্যন্ত সড়ক পাকা করনের টেন্ডার হওয়ার পরেও ইসমাইল হোসেন ওই এলাকার লোকজনের কাছে থেকে একলাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
    এদিকে উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানেদ্রনাথ বসাক একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন সিরাজগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর। অভিযোগে বলেছেন উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন উপজেলার গুড়পিপুল পাকা সড়ক থেকে ধলাপাড়া (আইডিনং ১৮৮৮৯৪০৩৯) গ্রামটি একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম। ওই সড়কটি পাকা না হওয়ার কারনে দীর্ঘদিন যাবত তাদের গ্রামের লোকজনের যাতায়াতের চরম ভোগান্তি। তাই ইসমাইল হোসেনের সাথে উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে গেলে তৎকালীন উপসহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন সড়কটি পাকা করে দিবে বলে এক লাখ টাকা দাবী করেন। পরে উপায়ন্তর না পেয়ে তাকে ১ লাখ টাকা দেওয়া হলেও আজ অবধী সড়কটি পাকাকরন হয়নি।
    অপরি দিকে, উপজেলার তাড়াশ- নওগাঁ আঞ্চলিক সড়ক থেকে ঘরগ্রাম পুর্বপাড়া ওয়াবদাবাধ গাজী ম.ম আমজাদ হোসেন সড়ক  চেইনেজ ( আইডি নং ০০-১১৫০) সড়কটি দীর্ঘদিন যাবত পাকা না হওয়ায় গ্রামের লোকজন খুব কষ্টের মধ্য যাতায়াত করেন। এমতাবস্থায় তাড়াশ উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন ওই সড়কটি পাকা করে দেয়া হবে বলে জানান। এরপর এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালককে দুই লক্ষ টাকা দিলে কাজটির জন্য বরাদ্দ দেয়া যাবে বলেন।
    এ সময় কোন উপায়ন্তর না পেয়ে গ্রামবাসী টাকা তুলে দুই লক্ষ টাকা ইসমাইল হোসেনকে দেন। কিন্ত দুই বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও কাজ না হওয়ায় তাকে টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা ফেরত দেবে না বলে জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে অভিযোগকারী ঘরগ্রামের সুজন সরকার, আবু তাহের ও রফিকুল ইসলাম জানান, তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন বিভিন্ন সময় প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে কাজ করার কথা বলে কাজ করেননি। তাই আমাদের দেয়া ঘুষের দুই লাখ ফেরত পেতে সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি।
    অভিযুক্ত তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পিআরএল) রত ইসমাইল হোসেনকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভি করেননি।
    এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ আলী জানান, (পিআরএল) রত ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে উদ্ধতর্ন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

    স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট, তাড়াশ ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ০৯:২০ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 625 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    তাড়াশ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11332580
    ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৭:০১ অপরাহ্ন