বাহরাইনে বাংলাদেশ স্কুলে জাতীয় শোক দিবস পালিত
১৮ জানুয়ারী, ২০২০ ০৪:১০ পূর্বাহ্ন


  

  • জাতীয়/ অন্যান্য:

    বাহরাইনে বাংলাদেশ স্কুলে জাতীয় শোক দিবস পালিত
    ১৭ আগস্ট, ২০১৯ ০৬:৪১ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    প্রবাসী ডেক্সঃ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে  বাহরাইনে  রাজধানী মানামায় অবস্থিত বাংলাদেশ কারিকুলাম অনুযায়ী পরিচালিত একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ  স্কুল অ্যান্ড কলেজ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে।

    জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্কুলের প্রিন্সিপাল  ড.সারিজা আলীর সভাপতিত্বে এবং শিক্ষার্থী  সুমাইয়া আক্তার ও আনোয়ার আক্তার এর  যৌথ সঞ্চালনায় আলোচনা সভা   অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন  বাহরাইনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত  রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) কে এম মমিনুর রহমান।  বিশেষ অতিথি ছিলেন দূতাবাসের কাউন্সিলর ও দূতালয় প্রধান মো. রবিউল ইসলামে, লেবার কাউন্সিলর শ্রমসচিব শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম স্কুলের ভাইস চেয়ারম্যান ও আরকেপিটা ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল মুইজ চৌধুরী,  স্কুলের বোর্ড অফ ডিরেক্টর প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, বাহরাইন বাংলাদেশ সমাজের সভাপতি জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর,বাংলাদেশ স্কুলের এডমিন সুপার ভাইজার নেছার উদ্দিন আখন্দ, সিনিয়র করিডর কো-অর্ডিনেটর আছমা উল হোছনা, শিক্ষক নজরুল ইসলাম, শিক্ষিকা মাহমুদা ।

    আলোচনাসভায় পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন। ৬ষ্ঠ শ্রেণীর  শিক্ষার্থী মাহমুদ সালাউদ্দিন মান্যবর রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন  বিদ্যালয়ের  দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন আনোয়ার আক্তার  ।

    অতিথিবৃন্দ তাদের আলোচনায় সভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের প্রেক্ষাপট বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করেন। যার জন্ম না হলে আমরা হয়ত পরাধীনতিক জীবনের প্রেক্ষাপট বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করেন। যার জন্ম না হলে আমরা হয়তো পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে অত সহজে মুক্তিলাভ করতে সক্ষম হতাম না। ১৯২০ সালে গোপাল গঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেয়া সেই ছোট্ট খোকা জাতীয় নেতায় রূপান্তরিত হওয়া, বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ, বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলন ও স্বাধীনতা অর্জন এবং তাঁর বিশ্ব নেতায় রূপান্তরিত হওয়া যেন একই সূত্রে গাঁথা।

    অথচ কিছু কুচক্রী বিপথগামী ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এই মহান নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি জাতির পিতার সর্বকনিষ্ঠ শিশু সন্তান রাসেলকেও হত্যা করতে তাদের বিবেকে বাঁধেনি। তারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে পরিবারের উপস্থিত সকল সদস্যকে। আমাদের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা প্রবাসে থাকার কারণে প্রাণে রক্ষা পান। তবু স্বস্তির বিষয় হচ্ছে বর্তমান সরকার সেই ঘাতকচকে বিচারের আওতায় এনে এবং তাদের বিচারের রায় কার্যকর করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন।

    পরে  দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় ।

    নিউজরুম ১৭ আগস্ট, ২০১৯ ০৬:৪১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 177 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    জাতীয় অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12562863
    ১৮ জানুয়ারী, ২০২০ ০৪:১০ পূর্বাহ্ন