সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি
১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন


  

  • সিরাজগঞ্জ/ জনদুর্ভোগ:

    সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি
    ২৭ জুলাই, ২০১৯ ০৫:৩৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    সোহাগ হাসানঃ  দ্বিতীয় দফায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পর আবারো কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ৫সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে, পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বন্যা কবলিতদের। এবারের বন্যায় সিরাজগঞ্জের পাঁচটি উপজেলার ২৮২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও সাতটি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে গেছে। এছাড়া, জেলায় মোট ৯৩টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। সিরাজগঞ্জে ২ কি.মি. (আংশিক) বাঁধ, ৫ হাজার ৭২১টিউবওয়েল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া, বন্যায় পানিতে পড়ে ৫ব্যক্তি এবং ৩ হাজার ৮৮৫টি হাঁস-মুরগি ও  ৪টি গবাদিপশু মারা গেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। 


    জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার ৩৯টি ইউনিয়নের ৩৮৮টি গ্রামের ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৭৮হাজার ৬৯৮ মানুষ আংশিক ও ১১২৪ হাজার মানুষ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪৩৮১৩ হাজার। আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে ১৮৫টি।
    জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, বন্যা কবলিত এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৬৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে ৬টি প্রাথমিক ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।  জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা জানান, জেলার ৫টি উপজেলার ২১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বন্যা কবলিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কাজিপুরে ৮৬, চৌহালিতে ১৯, সিরাজগঞ্জ সদরে ২৫, শাহজাদপুরে ৬৫ এবং বেলকুচি উপজেলায় ২০টি রয়েছে।


    আর যমুনা নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে- চৌহালি উপজেলার অ্যাওয়াজী কাঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিদাশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চৌবারিয়া পূর্বপাড়া সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিলজলহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেলকুচি উপজেলার রতনকান্দি সোহাগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সিরাজগঞ্জ সদরে বেতুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া বেলকুচি উপজেলার চরবেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মেহেরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শাহজাদপুর উপজেলার বাঐখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙনের মুখে রয়েছে বলে তিনি জানান।

     
    তিনি আরও জানান, সিরাজগঞ্জ সদরে ৪টি, কাজিপুরে ৭টি, বেলকুচিতে ২টি এবং চৌহালিতে ২টি বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিউল্লাহ বলেন, বন্যার পানি প্রবেশ করায় জেলার ৬৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭টি, চৌহালিতে ২১, কাজিপুরে ১৯, শাহজাদপুরে ১০, বেলকুচিতে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
    ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. ইমান আলী জানান, এখনো অস্বাভাবি কোন পরিস্থিত সৃষ্টি হয়নি। বন্যার পানি রামার সময় বিভিন্ন অসুখ-বিসুখের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে জেলায় মোট ৯৩টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। পর্যাপ্ত ওষুধপত্র মজুদ আছে।

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিরাজগঞ্জ ২৭ জুলাই, ২০১৯ ০৫:৩৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 314 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    সিরাজগঞ্জ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12292788
    ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন