ছাত্রকে নেশা করতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে মারধর
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন


  

  • তাড়াশ/ অপরাধ:

    ছাত্রকে নেশা করতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে মারধর
    ২৫ জুন, ২০১৯ ০৭:০৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    এম এ মাজিদ: নেশা করতে বাধা দেওয়ায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জনসন্মূখে রঘুনিলী মঙ্গলবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের শিক্ষক আইয়ূব আলীকে (২৮) মারধরের অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছাব্বির হোসেন ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। ছাব্বির উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাচান গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। মঙ্গলবার সকালে পৃথক দুটি স্থানে এ হামলার শিকার হন তিনি।

    এদিকে শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক নির্বাচনী পরিক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিক্ষায় অংশ নেন তারা।  শিক্ষক আইয়ূব আলী অভিযোগ করে বলেন, অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছাব্বির হোসেন কখনও শ্রেণি কক্ষে বসে আবার কখনও বিদ্যালয় মাঠের মধ্যে ড্যান্ডি নেশা করেন। তার সহপাঠি শ্রী শিবনাথের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার তাকে বিদ্যালয়ে ডেকে শাসন করার সময় সে তর্কে জড়িয়ে পড়লে একটা থাপ্পর মারা হয়। এ কারণে সাব্বির হোসেন, তার ভাই রাব্বি, চাচা আলাউদ্দিন এবং রাব্বির বন্ধু কামরুল ইসলাম তাকে মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় উলিপুর পাচান ব্রিজ এলাকায় পথ আটকে কিল-ঘুষি মারেন। শুধু তাই নয়, তাকে মারধর করায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে তারা (ছাব্বির গং) আবারও বেলা সারে ১১ দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শ’ শ’ শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সন্মুখেই তাকে স্টিলের স্কেল দিয়ে এলোপাথারী আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। 


    শিক্ষার্থী শিবনাথ, আছিফ হোসেন, রাজু ইসলাম, ইব্রাহীম হোসেন, রাবেয়া খাতুন, মরিয়ম খাতুন প্রমূখ বলেন, বিদ্যালয় চলাকালীন বিদ্যালয় মাঠের মধ্যে প্রবেশ করে ছাব্বির ও তার স্বজনরা তাদের গনিত বিভাগের বিএসসি শিক্ষককে বেধরক পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে তাদের প্রতিবাদের মুখে পালিয়ে যায়।  তাড়াশ উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, আহত শিক্ষককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। 
    রঘুনিলী মঙ্গলবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবি উজ্জামান নান্নু বলেন, তিনি লাইব্রেরীতে বসে ছিলেন। বাইরে বিশৃঙ্খলার বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশ খবর দেন।   তাড়াশ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে শিক্ষার্থীরা পরিক্ষায় অংশ নেন।  এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফকির জাকির হোসেন বলেন, একজন শিক্ষকে মারধর করা অনভিপেয়। নিয়মানুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, তাড়াশ ২৫ জুন, ২০১৯ ০৭:০৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 478 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    তাড়াশ অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11744658
    ২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন