কাজিপুরের একমাত্র সলিড স্পারটিও ভাঙনের মুখে ||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
২২ জুলাই, ২০১৯ ০৫:৩৫ অপরাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

     সর্বশেষ সংবাদঃ

কাজিপুর: জনদুর্ভোগ

কাজিপুরের একমাত্র সলিড স্পারটিও ভাঙনের মুখে
নিউজরুম ১৯-০৬-২০১৯ ০৪:৫৩ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ


ফাইল ছবি

কাজিপুর  প্রতিনিধিঃ বর্ষার শুরুতেই সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনা নদীতে বাড়ছে পানি। শুরু হয়েছে প্রচন্ড ভাঙন। এতে করে কাজিপুরের যমুনার ডানতীরে ১৯৯৮ সালে নির্মিত ৮টি স্পারের মধ্যে টিকে থাকা পাটাগ্রাম এলাকার একমাত্র সলিড স্পারটিও ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে। ভাঙনের অধিক ঝুঁকিতে থাকা কাজিপুর সদর ইউনিয়নের সিংড়াবাড়ি, পাটাগ্রাম ও শুভগাছা গ্রামের মানুষ রয়েছে চরম ভাঙ্গন আতঙ্কে । 

স্থানীয়রা জানায়, ঈদের আগ থেকেই যমুনা নদীর কাজিপুর পয়েন্টে হঠাৎ করেই সিংড়াবাড়ি ও পাটাগ্রাম এলাকায় ব্যাপকভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে। পাটাগ্রাম সলিডস্পারের ভাটিতে ও উজানে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়ে স্পারের দুই পাশের গোড়ার মাটি এরই মধ্যে প্রায় একশ মিটার  ধসে গেছে। ভাঙ্গনের কারণে  স্পারটি যেকোন সময় নদীতে ধসে যেতে পারে। ভাঙ্গনের কবলে পড়া ঘববাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনও কোন পদক্ষেপ না নেয়ায়  এলাকাবাসীর মধ্যে একই সাথে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।


 স্থানীয়দের অভিযোগ ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ভাঙ্গন হুমকীর মুখে রয়েছে  অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি। পাটাগ্রামের জুড়ান আলী নদীর দিকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলেন, ‘আমার বাড়ি ছিলো মাঝ নদীতে। ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে আজ ১৩ বার বাড়ি বদল করেছি। এখন স্পারের গোড়ায় আশ্রয় নিয়েছি। এখানেও ভাঙ্গন চলে এসেছে। বাড়ি ঘর হারিয়ে আমার সব কিছু শেষ। ভাঙ্গন রোধে বালির বস্তা ফেলার কথা তাও খবর নাই। এভাবে আমরা আর কয়দিন থাকবো!’


শুভগাছা গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, ‘ভাঙ্গা গড়া মধ্যে দিয়ে জীবন চলছে। দেখার কেই নাই। বর্তমান যেখানে আছি সেখানেও হুমকীর মুখে। ঈদের আগে স্পারের উত্তর ও দক্ষিন পাশ ব্যাপক ভাবে ভেঙ্গে যায়। তবে সরকারী ভাবে ভাঙ্গন রোধে জোরে সোরে কোন কাজ লক্ষ করা যায়নি। লোক দেখানো কিছু কাজ হয়েছে মাত্র।’
কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফলতির কারণে স্পার এলাকায় ধ্বস নেমেছে। নদী ভাঙ্গন রোধে তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন না করলে ভরা বর্ষ মৌসুমে ভাঙ্গন আরো ভয়াবহ আকার ধারন করবে।’
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানান, ‘ ভাঙ্গন ঠেকাতে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। তবে ইমারজেন্সি ভাবে কিছু বালির বস্তা ফেলা হয়েছে। ভাঙ্গনের মুখে থাকা ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে।


১৯-০৬-২০১৯ ০৪:৫৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 349 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
কাজিপুর : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
২২ জুলাই, ২০১৯ ০৫:৩৫ অপরাহ্ন