স্ত্রীকে নির্যাতন ও বিনা অনুমতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করায় তাড়াশে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে স্ত্রীর দুটি মামলা||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
১৮ জুলাই, ২০১৯ ০৩:০১ পূর্বাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

স্ত্রীকে নির্যাতন ও বিনা অনুমতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করায় তাড়াশে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে স্ত্রীর দুটি মামলা
নিউজরুম ১৮-০৬-২০১৯ ০৬:৩০ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ


ফাইল ছবি

এম এ মাজিদঃ চলনবিলের তাড়াশে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনে আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে তারই ভুক্তভোগী প্রথম স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন ।  মামলার আসামী পুলিশ ইনস্পেক্টর সাইদুর রহমান বর্তমানে জয়পুরহাট জেলা পুলিশ লাইনের রিজার্ভ অফিসে আরওআই পদে কর্মরত আছেন।   গতকাল মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জের আমলী আদালত এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুন্যাল-২ এ মামলাটি দায়ের করেন আম্বিয়া খাতুন (৪০)। যার মামলা নং ২৬৫/১৯, ৯২/১৯ ইং ।

 


মামলা সুত্রে জানা গেছে , ১৯৯৭ সালের ৩০ জুলাই সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ পৌর সদরের আবুল হোসেনের মেয়ে আম্বিয়া খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার দিঘী সগুনা গ্রামের মৃত: কোরবান মোল্লার ছেলে তৎকালীন পুলিশ কনস্টেবল সাইদুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয়।  আম্বিয়া খাতুনের বাবা আবুল হোসেন (৬২) জানান, বিয়ের সময় জামাতা সাইদুর রহমানের পরিবারের দাবী অনুযায়ী ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ১টি মোটর সাইকেল ও  আসবাবপত্র সহ প্রায় ৩ লাখ টাকার উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। 


তিনি আরো জানান, তারপরও বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আম্বিয়ার পরিবারকে যৌতুকের চাপ দিতে থাকেন পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সহ তার দুই ভাই। আর মেয়ে আম্বিয়ার সুখের কথা ভেবে আমি আবারও তৎকালীন সময়ে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফের যৌতুক হিসেবে দেই। এদিকে ২০১৬ সালে পুলিশ ইনস্পেক্টর হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে সাইদুর রহমান আবারও ৫ লাখ টাকার জন্য  প্রায়ই আমার মেয়ে আম্বিয়াকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন।  পরে গোপনে ২০১৩ সালে সাইদুর রহমান রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামে আবারও ফারহানা খাতুন ইতি নামের এক মেয়েকে বিয়ে করেন। 

 


দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকেই নানা অজুহাতে প্রথম স্ত্রী আম্বিয়া ও  তার একমাত্র মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে সাদিয়া সিমিকে (১৪)  শারিরীক নির্যাতন করতে থাকেন। এক পর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আম্বিয়া মেয়ে সহ তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং বর্তমানে সেখানেই বসবাস করছেন।  এদিকে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে দেন-দরবার করার পর কোন সমাধান না হওয়ায় মঙ্গলবার আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে একটি মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান ,তার দুই ভাই সহ ৫ জন কে আসামী করে এবং পৃথক আরেক মামলায় শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুর রহমানকে আসামী করে আদালতে মামলা করেন।


এদিকে আম্বিয়া খাতুন (০১৭১২-৪৯৯৪২২) বলেন, একুশ বছরের সংসার জীবনে স্বামী সাইদুরের কাছ থেকে আমি এতটাই নির্যাতনের শিকার যা বলার নয়-বলেই তিনি কেঁদে ফেলেন। এ প্রসঙ্গে জয়পুরহাট পুলিশ লাইনে রিজার্ভ অফিসে কর্মরত আরওআই পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান  (০১৭১২-০৭২৮৮৮) মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, আমার কোন ছেলে সন্তান না থাকার কারণে আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। আমি এখনও স্ত্রী আম্বিয়া ও মেয়ে সিমিকে ভরণ পোষন করছি। তিনি আরো জানান, এটা আমার পারিবারিক সমস্যা। ফয়সালাও হয়ে যাবে দ্রতই।

 

 


১৮-০৬-২০১৯ ০৬:৩০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 500 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
তাড়াশ : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
১৮ জুলাই, ২০১৯ ০৩:০১ পূর্বাহ্ন