চৌহালীতে বাঁশ ও বেত শিল্প বিলুপ্তির পথে||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
২৪ জুন, ২০১৯ ০৩:৫০ অপরাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

চৌহালী/এনায়েতপুর: জীবনযাত্রা

চৌহালীতে বাঁশ ও বেত শিল্প বিলুপ্তির পথে
নিউজরুম ২১-০৫-২০১৯ ০২:২২ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ


ফাইল ছবি

আব্দুল লতিফঃ সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞল থেকে বাঁশ ও বেত শিল্প বিলুপ্তি প্রায়।উপজেলার প্রকৃতিক জীবকুল ও পরিবেশ বিপর্যয় বাঁশ ও বেত চাষে প্রয়োজনীয় পুজি ও ন্যায্য মুল্য না পাওয়ার কারণে বিলুপ্ত হতে বসেছে এ শিল্প। অন্যদিকে দেশীয় প্লাষ্টিকের বাজার জমজমাট হওয়ায এ পেশায় নিয়োজিতরা বর্তমান বাজারে প্লষ্টিক পন্য ও অন্যান্য দ্রব্যের সাথে পাল্লা দিতে না পারায় তাদের কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পরেছে। যার কারণে গ্রাম থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বাংলার ত্রতিহাবাহী এসব শিল্প।
 
তার সাথে অত্র এলাকার বাঁশ শিল্পের কারিগরদেও ভাগ্যে নেমে এসেছে চরম দুর্দিন। অনেকে তাদের পুর্ব পুরুষের পেশাকে আঁকড়ে রাকার আপ্রান চেষ্টা করেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। একসময় বাঁশ ও বেত শিল্প এলাকার প্রতিটি ঘরে ঘরে বাঁশের তৈরি সামগ্রীর কদর ছিল খুব বেশী। কিনÍ কালের পরিবর্তনের হাওয়ায় এখন তা আর বিশেষ চোখে পরে না। অপ্রতুল ব্যবহারে আর বাঁশের মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বাঁশ ও বেত শিল্পীরা তাদের বাব দাদার পৈত্রিক পেশাকে ছেড়ে অন্যান্য পেশা বেছে নিতে বাদ্য হচ্ছে। হাতে ঘোনা কয়েকজন শিল্পের কারিগররা নিরপায় হয়ে ঐতিহাসিক আঁকড়ে ধরে রাখার প্রাণপুন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একসময় বাঁশের তৈরি কুলা.চালনী. খাচা. চাটাই . ডালা. ঝুড়ি. কুলা, চেয়ার. পাখা, টোপা সহ প্রকৃতি বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হতো।
 
 
এলাকার গ্রামগুলোতে এসব শিল্পের চাহিদা ছিল অনেক বেশী। যার চাহিদা পুরনেও সক্ষম ছির এশিল্প নিযোজিত। বিগত কয়েক বছর ধরে এশিল্পের ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। এ পেশায় দক্ষ শিল্পীদের পরিবারে দেখা দিয়েছে চরম দুরব্যবস্থা। যার ফলে কুটির শিল্পের উপর নির্ভারশীল পরিবারে চলছে দুর্দিন। বেকার হয়ে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। অন্যদিকে আগের তুলনায় পরিমান মত বাঁশের জন্ম বা উৎপাদন সঠিক ভাবে হচ্ছে না। কালের পরিবর্তনে যে বাঁশ ৪০/৫০টাকায় বিক্রি হত বর্তমানে সেই বাঁশ মুল্য ২৫০/৩০০টাকা।অন্যদিকে বাঁশের ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণে বংশবৃদ্ধির আগেই তা উজাড় করে কাটা হচ্ছে এসব বাঁশ।আশির দশকে গ্রামের বেশীর ভাগ ঘর বাড়িই বাঁশের সাহায্যে তৈরি করা হতো।একটি ঘর তৈরি করতে বাঁশ লাগত প্রায় ৪০/৫০টি।
 
 
সেসময় প্রত্যেক গ্রামে বড় বড় বাঁশ ঝাড় ও বেত বাগান দেখা যেত।এখন তা আর চোকে পরে না। কারণ.বাঁশঝাড় ও বেতবাগান পরিস্কার করে সে খানে গড়ে উঠেছে এখন নতুন নতুন বাড়ী। অপরদিকে শহরে গড়ে উঠেছে বড় বড় পাকা দালান। যদিও ইট পাথর সিমেন্ট দিযে তৈরি এসব দালান ঘর।তবুও নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয় বাঁশ। এ সব কারণে বাজারে বাঁশ শিল্পীদের উপারর্জন কমে গেছে। ক্রায়ের তুরনায বিক্রি মুল্য অধিক না পাওয়ায় তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে. ফলে কাজের প্রতি তারা দারুন ভাবে অনীহা প্রকাশ করছে এবং অনেকেই পৈত্রিক পেশা ছেড়ে অন্যান্য পেশায় যেতে বাদ্য হচ্ছে।সর জমিনে দেখা যায় খাষকাউলিয়া ইউনিয়নে  কুরর্কী কলেজ পাড়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তার শেখ (৭৫)  বাঁশ দিয়ে প্রকৃতি  তৈরি করা  টোপা  হচ্ছে।

২১-০৫-২০১৯ ০২:২২ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 284 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
চৌহালী/এনায়েতপুর : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
২৪ জুন, ২০১৯ ০৩:৫০ অপরাহ্ন