চৌহালী উপজেলা দক্ষিন অঞ্চলে ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে-চিরচেনা বসতভিটা
১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:১১ পূর্বাহ্ন


  

  • চৌহালী/এনায়েতপুর/ জনদুর্ভোগ:

    চৌহালী উপজেলা দক্ষিন অঞ্চলে ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে-চিরচেনা বসতভিটা
    ১২ মে, ২০১৯ ০৬:১৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা দক্ষিন অঞ্চলে ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে-চিরচেনা বসতভিটা-ফসলি জমি, আর কাঁদছে মানুষ। এক সময়ের বিত্তশালীরা অসহায় হয়ে খুঁজছে মাথা গোঁজার ঠাঁই। তাদের করুণ আর্তনাদে যমুনা পাড় যেন ভাড়ি হয়ে আসছে। দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ প্রতিদিনই আসছে যমুনার নির্লজ্জ ভাঙনের তান্ডবলীলা দেখতে।
    অসময়ে নদী ভাঙনের এমন চিত্র উপজেলার দক্ষিন অঞ্চলে খাষপুকুরিয়া,শাকপাল,রেহাইপুখুরিয়া, মিটুয়ানি,বাঘুটিয়া, চরসলিমাবাদ ও ভুতেরমোড় এলাকায়। বর্ষা যতই ঘনিয়ে আসছে নদী ভাঙ্গন ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও সদিয়াচাঁদপুর ও স্থল ইউনিয়নে চলছে যমুনার ভাঙন। বিভিন্ন এলাকা সুত্রে জানা যায়, যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গত দেড় মাসের ব্যবধানে নদীর পুর্ব তীরে অবস্থিত রেহাইপুখুরিয়া গ্রাম থেকে দক্ষিণে ভুতের মোড় পর্যন্ত নয়টি গ্রামের অর্ধশতাধিক বসতভিটা,বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ কয়েকশ’ শতাধিক হেক্টর জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশংস্কা রয়েছে।
    সরেজমিনে শনিবার দুপুরে দেখা গেছে, উপজেলার রেহাইপুখুরিয়া পশ্চিম পাড়া,খাষপুখুরিয়া ও চরসলিমাবাদ ভুতেরমোড় গ্রামে চলে ভয়াবহ ভাঙন। একে একে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি, বসতভিটা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম আনসার আলী সিদ্দিকী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর(অবঃ)আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি। ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তহারা হয়ে পড়ছে মানুষ। খোলা আকাশে মানবেতর জীবনযাপন করছে অনেকে। চিরচেনা বসতভিটা-ফসল জমি হারিয়ে পথের ফকির হতে বসেছে অনেকেই। স্থানীয়রা জানান, বর্ষায় আগেই যমুনার রুদ্ধরুপ ধারণ করায় আমাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। বিশেষ করে চরসলিমাবাদ, চরসলিমাবাদ দক্ষিন পাড়া, ভুতেরমোড়, খাষপুখুরিয়া চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ সরকার বাড়ি, আঞ্চলিক সড়ক, বহু তাঁত কারখানা, কয়েকশ’ ঘরবাড়ি, বাজার,স্কুল চরম হুমকির মধ্যে পড়েছে। ভাঙ্গন ঝুকিতে চরসলিমাবাদ দক্ষিন পাড়া কবরস্থান, ৩২ লক্ষ টাকা ব্যায় ৪০ পয়লা সপ্রাবি,চৌবাড়িয়া টেকনিক্যাল কলেজ,পয়লা হাইস্কুল,পয়লা দাখিল মাদ্রাসা,চৌবাড়িয়া স্কুলসহ ১৫টি প্রতিষ্ঠান। যমুনার পুর্ব পাড় ভাঙনরোধে কাজ শুরুর আগেই দফায় দফায় নদীর পাড় পরিদর্শন করা হয়েছে অথচ রোধের কোন লক্ষন নেই। ভাঙনে প্রতিদিন বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, ঘরবাড়ি,কবরস্থান, পাকা সড়ক,বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাঃ আবু তাহির জানান, চৌহালী নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা। ভাঙ্গছে নদী কাদছে মানুষ,এখানে দ্রুত ভাঙ্গন রোধে কাজ করা জরুরী।

    নিউজরুম ১২ মে, ২০১৯ ০৬:১৭ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 522 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    চৌহালী/এনায়েতপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11984792
    ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:১১ পূর্বাহ্ন