শাহজাদপুরে বয়স্ক -বিধবা ভাতা নিতে বয়ষ্কদের দুর্ভোগ চরমে
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০৩:২৮ অপরাহ্ন


  

  • শাহজাদপুর/ জনদুর্ভোগ:

    শাহজাদপুরে বয়স্ক -বিধবা ভাতা নিতে বয়ষ্কদের দুর্ভোগ চরমে
    ০৫ মার্চ, ২০১৯ ০৬:০৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত

    শামছুর রহমান শিশির : শাহজাদপুর পৌর এলাকার মনিরামপুর সাবেক সোনালী ব্যাংক কার্যালয়ে বয়ষ্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা নিতে আসা বয়ষ্ক লোকদের চরম দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। মাত্র একজন অফিসার দিয়ে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার দুস্থ্য মানুষের মাঝে ভাতা বিতরণ করা হচ্ছে। ফলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ দুর্গতি পোহাতে হচ্ছে ভাতা নিতে আসা শত শত বয়ষ্ক দুস্থ্যদের। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার মনিরামপুর বাজার সাবেক সোনালী ব্যাংকের পরিত্যাক্ত ভবনে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা নেওয়া লোকদের চরম অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এসব মানুষেরা বেশিরভাগই প্রবীণ, বয়োবৃদ্ধ হওয়ায় তারা অনেকেই শারীরীক সমস্যার মধ্যে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছে। একজন কর্মকর্তা দিয়ে বিপুল পরিমান বৃদ্ধদের ভাতা প্রদান করায় বৃদ্ধদের র্দীঘসময় সারিবদ্ধ হয়ে বসে থাকতে হচ্ছে। সহায় সম্বলহীন ওইসব দুস্থরা এ দুর্ভোগের কথা কিছু বলতেও পারছে না, সহ্যও করতে পারছে না। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বয়স্ক ভাতা নিতে আসা কৈজুরীর আফজাল (৭০), গাড়াদহর ফুলবানু (৭২)সহ বেশ কয়েকজন দুস্থরা জানান, সকালে এসেছি, ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়ে গেলেও এখনও টাকা পাইনি। মাত্র একজন অফিসার দিয়ে আমাদের বয়ষ্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা বিতরণ করায় বাধ্য হয়ে দীর্ঘসময় অসুস্থ্য শরীর নিয়ে আমাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আমরা সকালে এসে  সিরিয়াল দিয়ে বসে রয়েছি। কখন ডাক পড়বে তা কেউ জানি না। আমরা এই টাকা দিয়ে আমরা শেষ বয়সে অনেকটা আরাম আয়েশে থাকলেও কিন্তু টাকা নিতে এসে যে কষ্ট ভোগ করি তা সেই আয়েশকে ম্লান করে দেয়। আমরা অতি সহজে ভাতা প্রাপ্তির দাবি জানাই।’ এ বিষয়ে ব্যাংকের দ্বায়িত্বরত অফিসার গোলাম মোস্তফা জানান, প্রায় সাড়ে সাত হাজার লোকের বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতার টাকা বিতরণ করা হয়। আমরা প্রতিদিন এ অর্থ বিতরণ করি। তবে আরও কিছু লোকবল নিয়োগ করলে ভাল হয়। এদিকে, শাহজাদপুর সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম জানান, ‘আমাদের একটি মাত্রই নিজস্ব জায়গা রয়েছে। বর্তমান আমাদের ব্যাংকে কাজের প্রচন্ড চাপ থাকার কারণে ব্যাংকের নিজস্ব সম্পত্তিতে এ ভাতা বিতরণ করছি। কে কখন আসে বলতে পারবো না। এখন একজন আগে আসলে আমরা কী করবো। আমাদের নিয়ম অনুসারেই আমরা কাজ করবো। তবে পরিত্যক্ত ভবন নির্মাণের বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যেই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করেছি। খুব শীর্ঘই সেখানে ভবন নির্মাণ হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

    সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, শাহজাদপুর ০৫ মার্চ, ২০১৯ ০৬:০৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 544 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    শাহজাদপুর অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    12811400
    ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০৩:২৮ অপরাহ্ন