সংরক্ষিত আলো আমার জন্য নাঃ-পূর্ণীমা রাণী শীল
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৮:৩৪ অপরাহ্ন


  

  • উল্লাপাড়া/ অন্যান্য:

    সংরক্ষিত আলো আমার জন্য নাঃ-পূর্ণীমা রাণী শীল
    ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০৮:২১ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত

    ২০০১ সালে বিএনপি জামাতের কাছে নির্যাতিত সেই পূর্ণীমা রাণী সংরক্ষিত আসন না পাওয়ায় আবেগময় স্ট্যাটাস।

    স্ট্যাটাস টি সবাই উদ্দেশ্যে হুবহু তুলে ধরা হলো। আমি কোন হাই কমান্ডের কাছে যাইনি সরল মনে বিশ্বাস করেছিলাম! যে আমার কথা আমার মামণির চোখে ভাসে।

    কারণ সবাই তো আমাকে তার দুই ঠুট গোলাতে মুখে ফেনা উঠে যেতো মাথায় চিন্তা করে কুল পেতো না কে কখন আমার নাম পূর্ণিমা বলতে উপরে যাবে। আমি তাই কোন নেতা ইমাম জানতে চাইনি তবে এই ইমামদের সম্মান করি। তারা ভালো থাক।

    এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থাকার প্রয়োজনটা থাকলেই আমার জায়াগা দিতো না শফি পরিবার। এখন তো ইমাম রা। এরা মানুষকে এতো ভালোবাসে তার সুর কিভাবে বাজে যদি একবার অনুভব করেতেন। আমি বলেছিলাম! আমার জীবন জিরো।

    আমার বাবা মা এমপি নাহ তারা আওয়ামী লীগের কোন পদে ছিলো নাহ! কিন্ত মনে তাদের আওয়ামীলীগ ছিলো আমার বাবা তো রেডিও নিয়ে ব্যস্ততম জীবন কাটাতেন আর মাকে বলতেন, বাসনা শেখ মুজিব কথা বলেছে তাকে এতো ভালোবাসতেন এটা ছিলো,

    আমার বাবা অনিল চন্দ্র শীল আর এখন তো ভাই আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যাই! আমার কেউ থাকলো না আমার পাশে একটা দাদু পেয়েছিলাম যে আমার চোখ দেখলেই সব বুঝে যেতো সে আর কেউ না ওয়াহিদুল হোক যার সাথে মামণি আমার জন্য টেলিফোনে দিনে দুইবারো বেশী কথা বলতেন। জানতেন পূর্ণিমা কেমন আছে ওহ ঠিক আছে তো।

    এর জন্য দাদুর বাসায় ৫/৭ জন লোক আসলে দাদুকে ধাকা দিয়ে পূর্ণিমা পূর্ণিমা করে চেচা মেচি করে আমি তার আগেই পাশের বাসায় পড়তে গিয়ে ছিলাম। সেই থেকেই আমার শুরু হয় কোথাও কতখন থাকবো আজ দাদু নেই হারিয়ে গেছে পূর্ণিমা,

    আমি কোন দিন কখনো কোথাও নাম ভাঙ্গিয়ে একটি পয়সা রোজগারের ধান্ধা করিনি, তাতে আমার মামণির যদি কস্ট হয়। বি এন পি উপহাস করবে। তাই নিজেকে এক রকম দিনের পর দিন কস্ট দিয়েছি। যখন আমি হাসবো খেলবো তখন আমায় লুকিয়ে লুকিয়ে জীবন বাচাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে এক বাড়ী থেকে অন্য বাড়ী এক রাতের বেশী থাকতে পারিনি।

    দলের জন্য আমার বাবা পৃথিবী থেকে চলে গেলেন।আমার মার হাতে এক লিডার বিশ টাকার নোট দশটি মুট পাকিয়ে আমার মার হাতে দিয়েছিলেন তাও আমাদের নাছিম সাহেব। ওহ আমার মা তো কাচা চুলে তার স্বামীকে হারিয়ে তুলসি তলায় কেদে পাগল।

    আমি নিজে সারাদেশে ভোটের কাজ করতে গিয়ে দিনে দিনে নি:স্ব নিজের গুছানো টাকা নিয়ে পথ বের হলাম যে একটি ভোট মানে আমার বাবাকে মনে পড়ে, একটি ভোট মানে আমার মার কাচা চুলের কথা মনে পড়ে তাই চাকরীর কথা মনে পড়েনি।কিসেরকি? চলে গেলাম!এই শহর থেকে অন্য শহরে।

    জনসমর্থন অর্জনের চেষ্টা করেছিলাম মাএ,যেন আমার কথা তাদের মনে করিয়ে দিতে যে আর একটি মেয়ে পূর্ণিমা নাহ হোক। সবাইকে বলেছি সঠিক জায়াগায় ভোট দিতে তাদের যেন পড়ে কস্ট নাহ হয়। আমি এই বলতাম যে জামায়াতকে মুড়ো ছাড়ু দিয়ে পিটুনি দিয়ে তিরিশ তারিখের পর পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিব। এখন আমি ওদের বলি হবো এটা মনে হয় আমি এতো পরিচিত হয়ে গেছি যে রাস্তায় চলা খুব কস্ট হচ্ছে সবাই এখন বলে বাজে কথা না বলি আর।

    দল থেকে কোন দিন আমি! কোথাও থেকে কোনদিন কোন সালা সালী বলতে পারবে নাহ আমি তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পথ চলি। আমার কোন ব্যাংক বিমা নেই, আমার মা আমার ব্যাংক এখন তার কিচ্ছু নাই। তার চোখের জল আমি দেখতে পারছি নাহ। আমার মা আর আমার কাছে থাকতে চাই নাহ সে মরে যেতে চাই। আমি কোন বিপদে পড়েছি।

    একজনের কাছে ছিলাম তদ্বীর কি /তেলবাজি কি? জানতাম না আমি ঠিক এগারো মাস পার করে এসেছি! তাও বেতনের টাকা দিয়ে উবার ভাড়া দিতে আমি পাগল থাকতাম! আর ভাবতাম কখন যানি চাকরীটা চলে যায়। ঠিক চলে গেলো সঠিক সময় পারলাম না!

    বার বার কাঁদাচ্ছি!! এই পরিবেশ এই সময়ের সাথে পরিবারের সাথে তাদের তো কথা ছিলো ২০০১ সালের বি এনপি তিন লাক টাকা দিতে চেয়ে আমার বাবাকে থানায় আটক করে রাখে। যে যা দিচ্ছি তা নিয়ে ইন্ডািয়াতে যেতে! আমি বাবা যাইনি! কারণ মরে তো গেছি আর কি মারবে টাকা দিয়ে কি হবে। বিএনপিকে তো আগুন দিয়ে পুড়িয়ে তার পর যেখানে মনে হয় আমরা যাবো। বেচে থাকলে বাবা তোমাকে খুব মনে পড়ছে। আমায় নিয়ে যাও আর পারছি না যে দাদু তুমি কি দেখতে পাও না!

    (আমার বাবা সে বেচারা বিচার দেখতে পারল না? মরে গেলেন। বাবা বলে ডাকতে পারি না তো বাবা আর বলে না বেলী আয় মা! বাবা আমাকে আদর করে বেলী বলেই ডাকতেন। আমি বাবার খুব আদরের দুলালী। ) বাবা বাজার থেকে মটকা আনতো আমি সেটা নিয়ে গুমাতাম বাবা তা রাত জেগে দেখতেন।

    আমাদের ভুল এ সবই আমার ভুল/অপরাধ.. ! এজন্য আমার শাস্তি হওয়া উচিত। আমার বিচার চাওয়া ঠিক হয়নি। কেন আমি মানুষ হলাম না এই আলো আর আমার দেখতে মন চাইছে না। জীবন খাতা পরীক্ষায় দিয়ে ফোল পেয়েছি শূন্য। ভাগ বিয়োগে নাই।

    রায়হান আলী, করেসপন্ডেন্ট(উল্লাপাড়া) ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০৮:২১ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 1196 বার দেখা হয়েছে।
    পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
    উল্লাপাড়া অন্যান্য খবরসমুহ
    সর্বশেষ আপডেট
    বিশ্বকাপ ক্রিকেট
    নিউজ আর্কাইভ
    ফেসবুকে সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ
    বিজ্ঞাপন
    সিরাজগঞ্জ কণ্ঠঃ ফোকাস
    • সর্বাধিক পঠিত
    • সর্বশেষ প্রকাশিত
    বিজ্ঞাপন

    ভিজিটর সংখ্যা
    11333458
    ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৮:৩৪ অপরাহ্ন