তাড়াশে একই পরিবারে ৩ ভাই বোন দৃষ্টি প্রতিবন্ধি ||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
১৬ জানুয়ারী, ২০১৯ ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

তাড়াশ: সাহায্যের আবেদন

তাড়াশে একই পরিবারে ৩ ভাই বোন দৃষ্টি প্রতিবন্ধি
নিউজরুম ২৩-১০-২০১৮ ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন প্রকাশিতঃ


ফাইল ছবি

এম এ মাজিদ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে একই পরিবারে তিন ভাই-বোন  দৃষ্টি প্রতিবন্ধি। বিপাকে হতভাগা খুদে মেকানিক বাবা। সুস্থ্য হয়ে জন্ম নিলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে  অজানা এক রোগে আক্রান্ত হয়ে দৃষ্টি হারিয়েছে এক হত-দরিদ্র পরিবারের ওই তিন সন্তান। কি এক অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পর পর তিন ভাই বোন দৃষ্টি হারিয়ে প্রতিবন্ধি হয়ে পড়ছে তা জানার আগ্রহ সবার মধ্যে থাকলেও আর্থিক অসচ্ছলতার কারুনে তা জানারও সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে নিঃস্ব ওই  পরিবারটি। সুস্থ্য হয়ে জন্ম নিলেও বয়স বাড়ার  সাথে সাথে প্রায় সম্পন্ন দৃষ্টি প্রতিবন্ধি হয়ে পরেছে খুদে মেকানিক আকবর হোসেনের এক ছেলে ও দুই মেয়ে। এতে বাকি পরিবারের সুস্থ্য একমাত্র ছোট ছেলেটি নিয়েও আতংকে দিনাতিপাত করছে হতভাগা ওই পরিবারটি।


 সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের  মালশিন গ্রামের ক্ষুদে মেকানিক আকবর আলী (৬০) তিন দশক আগে বিয়ে করেন একই গ্রামের মর্জিনা খাতুন (৫৫) কে। বিয়ের পর তাদের ঘর আলো করে একে একে জন্ম নেয় আফরোজা খাতুন (২৮) মনসুর রহমান টুটুল (২৬) মাহফুজা খাতুন (১৯) এবং ওমর ফারুক (১৭)। জন্মের পর বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রায় সম্পন্ন দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে প্রতিবন্ধি হয়ে পরেছে এক ছেলে ও দুই মেয়ে । দৃষ্টি হারানো বড় মেয়ে আফরোজা খাতুন ও ছেলে মনসুর রহমান টুটুলকে কয়েক দফা চিকিৎসা  করানো হলেও  দৃষ্টি ফেরানো যায়নি তাদের। সমাজের আর অন্য মেয়েদের  মত স্বামীর সংসার করার কথা থাকলেও দৃষ্টি হারানোর অপরাধে স্বামীর সংসার থেকে বিতারিত হয়ে এক সন্তানসহ বাবার ঘরের বোঝা হয়ে বসে আছেন আফরোজা খাতুন। ছেলে টুটুল দৃষ্টি হারিয়ে কাজ করতে অক্ষম হওয়ায় স্ত্রী ও এক সন্তান সহ বাবার সংসারে অভাবের বোঝাটাকে আরোও বাড়িয়ে দিয়েছে। মেয়ে মাহফুজা খাতুন আলিমে শ্রেণিতে পড়ালেখা করলেও দৃষ্টি না থাকায় পড়ালেখা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। ছোট ছেলে ওমর ফারুক বাবার হাতুরে মেকানিকের কাজে কিছুটা সহযোগিতা করলেও তার দৃষ্টি হারানোর আতংকে  রয়েছে অসহায়  পরিবারটি। সেই সাথে ৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা মাকেও টানতে হচ্ছে তাকে।


 হতভাগ্য পিতা আকবর আলী জানান, নুন আনতে যেখানে পানতা ফুরায় সেখানে ১০ সদস্যের পরিবারের চাহিদা পুরন করে ছেলে মেয়েদের চিকিৎসা করানো আমার সাধ্যের মধ্যে নেই। এত বড় পরিবারের ভরন-পোষনের জন্য আমার হাতুরে মেকানিকের কাজই একমাত্র ভরসা। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, কি রোগে আক্রান্ত হয়ে ছেলে-মেয়েরা এমনভাবে দৃষ্টি হারাচ্ছে তা জানতেও পারলাম না। সম্পদ বলতে আমার সরকারি ২ শতক জমির উপর কুড়ে ঘরে বসবাস। আমার অবর্তমানে অভাবের এ বিশাল  পরিবার কিভাবে চলবে একথা বলতেই তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। অজানা রোগ সর্ম্পকে জানা ও সুচিকিৎসার জন্য তিনি সরকার ও দেশের বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন ,প্রয়োজনে যোগাযোগ ০১৯৪৫১৭১৯৬১/ ০১৭২৮০০৪২১৭।এবিষয়ে  তাড়াশ চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, তারা বয়স বাড়ার সাথে সাথে কি কারুনে দৃষ্টি হারাচ্ছেন তা পরীক্ষার পর জানা যাবে। 
 

 


২৩-১০-২০১৮ ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 273 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
তাড়াশ : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
১৬ জানুয়ারী, ২০১৯ ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন