তাড়াশে ঝুকিপূর্ণ বাঁশের শাকোঁয় পারাপার||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:০৩ পূর্বাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

     সর্বশেষ সংবাদঃ

তাড়াশ: জনদুর্ভোগ

তাড়াশে ঝুকিপূর্ণ বাঁশের শাকোঁয় পারাপার
নিউজরুম ০৩-১০-২০১৮ ০৫:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ


ফাইল ছবি

এম এ মাজিদঃ চলনবিলের বুক চিরে বয়ে যাওয়া হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার হামকুড়িয়া গ্রামের খাঁন পাড়ার মানুষের পারাপারের ভরসা ঝুকিপূর্ণ দীর্ঘ বাঁশের শাকোঁ। প্রতিদিন  কয়েক হাজার মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহা-সড়ক সংলগ্ন নির্মিত ওই বাশের শাকোঁ দিয়ে যাতায়াত করেন। স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে একটি সেতু নির্মাণের দাবি বহুদিনের। কিন্তু সেই কাংখিত সেতু নির্মাণ না হওয়ায় গ্রাম থেকে পারাপার তাদের এখন ভরসা একটি দূর্বল বাশের শাকোঁ ।

 সিরাজগঞ্জের তাড়াশ  উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহা-সড়ক সংলগ্ন ওই বাঁশের তৈরী শাকোঁর অবস্থান। হামকুড়িয়া গ্রামের বসতি কয়েক হাজার মানুষের বছরের ১২টি মাস পারাপার হতে হয় বাঁশের শাকোঁতে। শাকোঁ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীসহ গৃহস্থলির পোষা গবাদী পশু। অনেক সময় শাকোঁ ভেঙ্গে দূর্ঘটনার মত ঘটনাও ঘটে যায়। এলাকাবাসীর বহু দিনের আখাংক্ষিত একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি অপেক্ষিত রয়েই গেছে।

 
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, হামকুড়িয়া গাম ছাড়াও এখানে রয়েছে ১টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি দাখিল মাদরাসাসহ আরো আছে কয়েকটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। হামকুড়িয়া গ্রামের কয়েক হাজার  মানুষ ওই বাঁশের শাকোঁর ওপর  প্রত্যক্ষ ও পরক্ষভাবে নির্ভশীল। ওই শাকোঁ পার হয়ে মানুষ এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। এছাড়া ওই গ্রামের মানুষের উপজেলা ও জেলা  শহরসহ বিভিন্ন এলাকার সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারী মাধ্যমও এটি। তাছাড়া শস্য ভান্ডার চলনবিলে উৎপাদিত ইরি-বোরো ও রবিশষ্য পারাপার হয় এ শাকোঁ দিয়ে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  গ্রামের মানুষের উদ্যেগে তাদেরই অর্থায়নে হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহাসড়কের এপার ওপার জুড়ে বাঁশের শাকোঁটি নিমার্ণ করা হয়েছে। ফসলাদী নিয়ে মানুষ ঝুঁকি নিয়েই পারাপার হচ্ছেন। 


হামকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্ধা স্থানীয় দোবিলা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক গোলাম কবির উজ্জল বলেন, হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহাসড়ক থেকে হামকুড়িয়া গ্রামে পারাপারের জন্য ব্রীজ না থাকায় ওই গ্রামের বাসিন্দারা চরম বিপাকে আছেন। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পাড় হয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। বাঁশের সেতু পাড়পাড়ের সময় কথা হয় হামকুড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মাসুদ রানা, মারিয়া, ছোনিয়া, বিথি ও রুবেলের সাথে। তারা জানায়, বাঁশের শাকোঁ পার হতে ভয় লাগে। তবুও বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য ঝুঁকি নিয়েই পাড় হতে হয়। এলাকাবাসীর প্রানের দাবী হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহাসড়ক থেকে হামকুড়িয়া গ্রামে পারাপারের জন্য একটি ব্রীজ নির্মান করা।

 


০৩-১০-২০১৮ ০৫:৪০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 107 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
তাড়াশ : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:০৩ পূর্বাহ্ন