উল্লাপাড়ায় আশ্বিনের বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৩৪ অপরাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

     সর্বশেষ সংবাদঃ

উল্লাপাড়া: জনদুর্ভোগ

উল্লাপাড়ায় আশ্বিনের বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
নিউজরুম ২৩-০৯-২০১৮ ০৫:৫১ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ


ফাইল ছবি

উল্লাপাড়া প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ার বিভিন্ন  অঞ্চলে আশ্বিনে হঠাৎ বন্যা আসায় কৃষকদের মাথায় হাত । উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঠে সদ্য লাগানো রোপা আমন ধান, মাসকলাই, সবজি ফসল পানিতে ডুবছে। গত দিন পাঁচেক  আগেই আশ্বিনে হঠাৎ  বন্যা আসায় কৃষকদের গতবারের চেয়ে এবারে ফসলের ক্ষতি   ছাড়িয়ে যাবে বলে জানাযায় । 

বর্তমানে বন্যার পানি নদীতে থমকে আছে । এখন বর্ষার নাবি মৌসুম চলছে। উল্লাপাড়া অঞ্চলে এবারের ভরা মৌসুমে স্বাভাবিক বন্যা হয়নি। কৃষকরা ভেবেছিলো আর বর্ষা বলতে বন্যার পানি বাড়বে না। আর বাড়লেও নদী বেয়ে এসে নদী বেয়েই চলে যাবে। কৃষকেরা এসব ভেবেই ধুমসে রোপা আমন ধানের আবাদে মাঠে নেমেছিলো। উপজেলার সলংগা, রামকৃষ্ণপুর, হাটিকুমরুল, বড়হর, উল্লাপাড়া, পূর্ণিমাগাতী, কয়ড়া, দুর্গানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে কৃষকেরা নানা জাতের রোপা আমন ধানের আবাদ করেছে। 

গত কোরবানী ঈদের পর থেকেই কৃষকেরা এ ধানের আবাদে চারা লাগায়। গত দিন দশেক আগেও তা লাগানো চলছিলো। প্রতি  বিঘায় জমি তৈরি, চারাবীজ, সার ও মজুরী মিলে প্রায় আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে জানা যায়। 

কৃষি অফিস থেকে জানানো হয় এবারে গোটা উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমান জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদে চারা রোপন করা হয়েছিলো। কৃষি অফিসের লক্ষ্য মাত্রা ছিলো ৭ হাজার ৪ শ প্রতি হেক্টর । সর্বশেষ  তথ্যে এরই মধ্যে ১০ হাজার ৬ শ ৩৫ হেক্টর পরিমান জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে। যা লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। এবাবে পানি না বাড়লে আগামী সপ্তাহ তিনেক সমায়ে আরো জমিতে রোপা আমনের আবাদ হবে এমন পরিকল্পনা  নিয়ে কৃষকেরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলো । সেখানে হঠাৎ  আশ্বিনে বন্যার পানি  আসায় কৃষকের ক্ষতি হয়েছে । 

এরই মধ্যে ৩শ ৫০ হেক্টর পরিমান জমির রোপা আমন ধান, ১৫ হেক্টরের সবজি ফসল ও ৭ হেক্টর জমির মাসকলাই ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে  । দূর্গানগর ইউনিয়নের রাজমান গ্রামের  কৃষক মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)  জানান, আর বন্যা হবে না ভেবেই জমিতে রোপা আমন ধানের চারা লাগিয়েছিলো। আশ্বিনের বন্যায় তার ক্ষতি করছে। প্রকৃতির উপর যেহেতু কারো হাত নেই তাই এ ক্ষতি সয়েই যেতে হবে বলে তারা জানায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ খিজির হোসেন  জানান, সর্বশেষ তথ্য শুধু ডুবে যাওয়া ফসলের জমির পরিমান হিসেব করা হচ্ছে  এখন। টাকার অংকের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পরে করা হবে।


২৩-০৯-২০১৮ ০৫:৫১ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 157 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
উল্লাপাড়া : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৩৪ অপরাহ্ন