সিরাজগঞ্জে বহু স্থাপনাসহ ফসলি জমি হুমকিতে||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
১৭ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:০৭ পূর্বাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

সিরাজগঞ্জ: জনদুর্ভোগ

সিরাজগঞ্জে বহু স্থাপনাসহ ফসলি জমি হুমকিতে
অনলাইন নিউজ এডিটর ২৮-০৭-২০১৮ ০১:৩৪ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ


সিরাজগঞ্জে বহু স্থাপনাসহ ফসলি জমি হুমকিতে

সিরাজগঞ্জে যমুনায় পানি বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নদী ভাঙন।  জেলার কাজিপুর উপলোর শুভগাছা, বাঐখোলা, পাটাগ্রাম ও সিংড়াবাড়ি পর্যন্ত ছয় কি.মি. এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এরমধ্যে শুভগাছায় ভাঙন প্রকট আকার ধারণ করেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় হুমকিতে রয়েছে কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি, হাজার হাজার ঘরবাড়িসহ বহু স্থাপনা।


সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের চেষ্টায় কাজিপুর উপজেলার খুদবান্দি থেকে সদর উপজেলার বাহুকা পর্যন্ত এলাকা যমুনা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ৪৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে সরকার।


সরেজমিনে দেখা গেছে, উপরোক্ত প্রকল্প প্রাক্কলনের বাইরের এলাকা শুভগাছা থেকে উত্তরে সিংড়াবাড়ি পর্যন্ত সাড়ে চার কি.মি. এলাকা নতুন করে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। গত একমাসের ভাঙনে প্রায় দুই হাজার হেক্টর ফসলি জমি, শত শত বাড়িঘর, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং বিদ্যুতের লাইন নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিশেষ করে গত এক সপ্তাহ যাবত্ শুভগাছায় ভাঙন প্রকট আকার ধারণ করেছে। ভাঙন কবলিত এলাকার উঠতি ফসল পাট, তিল, কাউন ও বাদামের ক্ষেতের ফসল ঘরে তুলতে পারেনি কৃষক। শুভগাছা ইউপি ভবন, ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি, শুভগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বয়ড়াবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অনেক ঘরবাড়ি নদী তীরে ভাঙন হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল কাশেম ফজলুল হক  জানান, ‘যমুনা নদী ভাঙন হতে কাজিপুর উপজেলার সিংড়াবাড়ি, পাটাগ্রাম, বাঐখোলা ও শুভগাছা সংরক্ষণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নদীর তীরবর্তী জনগুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনাসমূহ ভাঙন হতে রক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই ও ব্যয় নিরূপণের কারিগরি প্রতিবেদন তৈরির জন্য পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ শুরু করেছে। তবে ডিপিপি আকারে প্রকল্প অনুমোদন হয়ে তা একনেক পর্যন্ত গড়াতে কমপক্ষে তিন মাস সময় লাগবে। এই তিন মাসে ভাঙনে এলাকা বিলীন হয়ে গেলে কী পদক্ষেপ নেবেন জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, কিছু জিও বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অপরদিকে জেলার শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া, কায়েমপুর, গাড়াদহ ও রূপবাটি ইউনিয়নের ২০টি গ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।


২৮-০৭-২০১৮ ০১:৩৪ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 229 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
সিরাজগঞ্জ : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
১৭ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:০৮ পূর্বাহ্ন