ভবন সংকট খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
২০ অক্টোবর, ২০১৮ ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

ভবন সংকট খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান
অনলাইন নিউজ এডিটর ১৫-০৭-২০১৮ ০১:০৩ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ


ভবন সংকট খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান

এম এ মাজিদঃ সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাগুড়া ইউনিয়নের নাদো-সৈয়দপুর মধ্য পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ও শ্রেণী কক্ষ সংকটের ফলে পাঠিদান চলছে খোলা আকাশের নিচে। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।

সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর মধ্য পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪৬ সালে স্থাপিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৪’শ ৪২ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত ক্লাস করছে। এক শিফটের বিদ্যালয়ে ৮ জন শিক্ষক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। কিন্তু শিক্ষার্থী অনুপাতে চাহিদা মাফিক শ্রেণীকক্ষ না থাকায় পাঠদান কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। রোদ, বৃষ্টির ঝড়সহ প্রতিকুল আবহাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে পলিথিন অথবা মাদুর বিছিয়ে কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা পড়া লেখা করে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালে উপজেলা প্রকৌশল কর্তৃক ২টি ভবনের মধ্যে পুরাতন ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষনা করলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর নতুন ভবন নির্মানের জন্য আবেদন করা হয়। ওই বছর ১০ জুন শিক্ষা অধিদপ্তর হতে ঝুকিপূর্ন ও ব্যবহার অনুপোযগী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মানের জন্য শিক্ষা অফিসারের কাছে চাহিদা পত্র প্রেরণ করেন। সেই পত্র মোতাবেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিসার বরাবর বিদ্যালয়ের নতুন ভবন চাহিয়া আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষা অফিসার অধিক গুরুত্ব দিয়ে তালিকার এক নম্বরে দিলেও এখন পর্যন্ত কোন নতুন ভবন নির্মিত হয়নি। ফলে এলাকার বিদ্যালয় গামী শিশুরা বিদ্যালয় ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। আবার কেউ-কেউ পড়া লেখা বন্ধ করে শিশুশ্রমের দিকে ঝঁকে পরছে।

তিনি আরো বলেন, ১টি ভবনের ৩ টি কক্ষ থাকলেও ১টি কক্ষের মাঝে বেড়া দিয়ে এক পাশে অফিস আর অন্য পাশে শ্রেণী কক্ষ হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যহত হচ্ছে । অতি কষ্টে একই ভবনের বারান্দায় মাদুর বিছিয়ে শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়া হচ্ছে। তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী মৌসুমি খাতুন ও শানজিতা খাতুন এ প্রতিনিধিকে জানায়, শ্রেণী কক্ষ না থাকায আমাদের খোলা আকাশের নিচে পড়তে হচ্ছে। এতে আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। বৃষ্টি নামলে ও আবহাওয়া প্রতিকুল হলে সেদিন আমাদের ক্লাস বন্ধ হয়ে যায়।

অভিভাবক আলা উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের দু’টি ভবনের মধ্যে একটি পরিত্যাক্ত ঘোষনা করায় ছেলে-মেয়েদের খোলা আকাশের নীচে বেঞ্চ ও মাদুর পেতে রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে পড়াশোনা করতে হয়। বৃষ্টি আসলে ক্লাস নিতে পারে না শিক্ষকরা। এ অবস্থায় পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অভিভাবক আলা উদ্দিন আরো বলেন, খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করার ফলে ছেলে-মেয়েরা অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পরে।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিগত ২০১৩ সালে শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ঝুকিপূর্ন ও ব্যবহার অনুপোযগী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা চাইলে সে মোতাবেক ওই বিদ্যালয়ের নাম তালিকা প্রেরণ করা হয়। যা ২০১৭ সালে পেপমিসে তালিকা ভুক্ত করা হয়েছে।


১৫-০৭-২০১৮ ০১:০৩ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 248 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
তাড়াশ : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
২০ অক্টোবর, ২০১৮ ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন