শাহজাদপুরের কৈজুরী ও সোনাতনী ইউনিয়নে ব্যাপক ভাঙ্গন||চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
১২ নভেম্বর, ২০১৮ ১১:৩১ অপরাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    

শাহজাদপুর: জনদুর্ভোগ

শাহজাদপুরের কৈজুরী ও সোনাতনী ইউনিয়নে ব্যাপক ভাঙ্গন
১০-০৭-২০১৭ ১০:২৬ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ


শাহজাদপুরের কৈজুরী ও সোনাতনী ইউনিয়নে ব্যাপক ভাঙ্গন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শাহজাদপুর উপজেলার যমুনা তীরবর্তী এলাকা কৈজুরী ও সোনাতনী ইউনিয়নে পানি বাড়ার সাথে সাথে এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত ১৫ দিনে ৬ থেকে ৭’শ বাড়ি-ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অবিরাম ভাঙ্গনে এলাকার মানুষ এলাকা ছেড়ে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

 গ্রাম গুলি হল, ধীতপুর, শ্রীপুর, সোনাতুনি, বানতিয়ার, বড় চানতারা, ছোট চানতারা, মাকড়া ও কুরসি। ফলে এ সব গ্রামের প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ নতুন করে গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তারা মাথা গোজার ঠাই হাড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে চলে গেছে। অনেকে আত্মীয় স্বজন ও পার্শ্ববর্তী গ্রামে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে আবার সব হারিয়ে বেচে থাকার তাগিদে শহরে পাড়ি জমিয়েছে।

এ ব্যাপারে বানতিয়ার বাজারের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী আবুল কাশেম, কুরসি গ্রামের নুরুল ইসলাম, ধীতপুর গ্রামের শামছুল ইসলাম জানান, বন্যার পানি বৃদ্ধি শুরু হওয়ার পর থেকেই এ ইউনিয়নের এ সব গ্রামে যমুনা নদীর ভাঙ্গণ শুরু হয়েছে। সরকারী ভাবে এ ভাঙ্গণ রোধে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ ভাঙ্গণের কবলে পড়ে ধীতপুর বাজার ও শ্রীপুর বাজার বিলিন হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে বাজার দু‘টির সিকি ভাগ বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙ্গণ রোধে দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়া হলে এ দু‘টি বাজার যে কোন মূহুর্তে অস্তিত্ব হারাব।

একারণে সোমবার (১০ জুলাই)  দুপুরে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলীমুন রাজীব কৈজুরী ও সোনাতনী ইউনিয়নের বন্যা ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে। এ সময় তিনি প্রতিটি পরিবারের মাঝে নগদ ২শত টাকা প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দার আলী, কৈজুরী ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সোনাতনী ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান।

এদিকে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যহত থাকায় উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের ১০ হাজার বিঘা গোচারণ ভূমি ও শতাধিক গরুর বাথান বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। ফলে গো-খামারীরা তাদের শত শত গবাদি পশু বাথান এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। এ সব গরু এখন খামারীদের বাড়ির আঙ্গীনা ও গোয়াল ঘরে বন্দিদশায় রয়েছে। ফলে উন্নত জাতের এ সব গরুর কাঁচা ঘাসের অভাবে দুগ্ধ উৎপাদন কমে গেছে। অপর দিকে বাজারে খইল ভুষি ও দানাদার খাদ্যের দাম বস্তা প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় খামারীরা চরম বিপাকে পড়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাংবাদিকদের জানান, ভাঙ্গন কবলিত প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ির তালিকা তৈরি করে তাদের পুর্নবাসন করার কথা বলেন।

১০-০৭-২০১৭ ১০:২৬ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 287 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

চৌহালী নিউজঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

নির্বাচিত খবরসমুহ
শাহজাদপুর : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে চৌহালী নিউজঃ
চৌহালী নিউজঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

স্পন্সরড অ্যাড

ভিজিটর সংখ্যা
100
১২ নভেম্বর, ২০১৮ ১১:৩১ অপরাহ্ন